শিরোনাম
মাগুরার কৃতি ফুটবলার ঝুকু না ফেরার দেশে মাগুরায় লকডাউন কার্যকরে জেলা প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা, ত্রানের অপেক্ষায় কয়েক শত মানুষ মাগুরায় এনটিভি’র ১৮তম প্রতিষ্টা বার্ষিকীতে মাস্ক ও গাছের চারা বিতরণ মাগুরায় চোরাই ৩টি গরু উদ্ধারসহ ৮ চোর গ্রেফতার মাগুরায় নৃশংস আজিজুর হত্যার ঘাতক আশরাফের স্বীকারউক্তিতে মাথা ও পা উদ্ধার মাগুরায় করোনা সংক্রমণ রোধে শহর ও মোহাম্মদপুরে লকডাউন মাগুরায় বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্ভোধন মাগুরায় আটটি চোরাই ইজিবাইক উদ্ধারসহ চার চোর গ্রেফতার মাগুরায় করোনা সচেতনতায় থিয়েটার ইউনিটের মাস্ক বিতরণ মাগুরার কালুকান্দী গ্রামে এক যুবকের টুকরো লাশ উদ্ধার
শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন
add

মাগুরায় আর কে ডোর কারখানায় ভাঙচুর, আটক ঌ

মাসুম বিল্লাহ কলিন্স / ৭২৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২০
add

মাগুরার শালিখা উপজেলায় আড়ুয়াকান্দি এলাকায় বৃহস্পতিবার সকালে আর.কে ডোর কারখানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে এলাকাবাসী।

এ সময় কারখানার অফিস কক্ষ ভাংচুর, ল্যাপটপসহ অফিসে থাকা নগদ ৪-৫ লক্ষ টাকা লুট হয়েছে বলে দাবি করছে কারখানা কতৃপক্ষ। এ ঘটনায় পুলিশ পার্শ্ববর্তী হরিশপুর গ্রামের ৯ জনকে আটক করেছে।

আরকে ডোর কারখানার সত্ত্বাধিকারী জুয়েল হোসেন দৈনিক মাগুরা কণ্ঠ  কে জানান, বুধবার বিকালে আমার কারখানার একটি মাল বোঝাই ট্রাক সীমাখালী বাজার দিয়ে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে হরিশপুর গ্রামের রেজাউল নামের এক ব্যক্তির সাথে রাস্তার সাইড  দেয়া কে কেন্দ্র করে ট্রাকের ড্রাইভারের কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় তুচ্ছ এ ঘটনায় রেজাউল আমার ট্রাকের ড্রাইভারের উপর হামলা চালিয়ে আহত করে। সংবাদ পেয়ে কারখানার শ্রমিকরা এগিয়ে গেলে তাদের সাথেও ঝামেলা হয়।

এই ঘটনার সূত্র ধরে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় হরিশপুর গ্রামের জসিম মেম্বার, আঃ আজিজ, তরিকুল, হুমায়ন, করিব ও আলমগীরের নেতৃত্বে প্রায় ২ শতাধিক লোক  আমার চালু কারখানায় হামলা চালিয়ে কারখানার জানালা, দরজার গ্লাস ভাংচুর করে। পরে অফিসে কক্ষে প্রবেশ করে চেয়ার, টেবিল ভাংচুরসহ অফিসে থাকা একটি ল্যাপটপ ও নগদ ৪-৫ লক্ষ টাকা লুট করে।

অফিস লুটের পর তারা কারখানায় ঢোকার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। হামলার সময় কারখানায় কর্মরত শ্রমিকরা নিরাপত্তার জন্য চিৎকার করে পাশ্ববর্তী বিভিন্ন স্থানে ছুটে যায়।

তিনি আরো জানান, হামলাকারীদের মুল উদ্দেশ্য ছিল আমার কারখানাটি হামলা চালিয়ে অগ্নিসংযোগ করা। হামলার পরপরই আমি শালিখা থানা পুলিশকে অবহিত করি।

সংবাদ পেয়ে শালিখা থানার অফিসার ইনচার্জ তরীকুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

আমার কারখানায় বর্তমানে এলাকার প্রায় ২ শত নারী-পুরুষ শ্রমিক কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। হামলার পর কারখানা আংশিক চালু রয়েছে। শ্রমিকদের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ সুপারের নিকট সহযোগিতা চেয়েছি।

পুলিশ সুপার খান মুহাম্মদ রেজোয়ান জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ইতিমধ্যে ৯ জনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কারখানায় অনেক দরিদ্র শ্রমিক কাজ করার কারনে কারখানাটি বন্ধ না করে চালু রাখতে বলা হয়েছে।

এলাকায় উত্তেজনা এড়াতে কারখানা এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

তবে গ্রামবাসীদের অভিযোগ কারখানার শ্রমিকরা মিলে প্রথমে রেজাউলের উপর হামলা চালিয়ে তাকে আহত করে।

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!